Connect with us

মহাকাশ

মহাকাশের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নিন।

Published

on

১) প্রথম মহাকাশচারী জীব হল লাইকা নামের একটি কুকুর । ১৯৫৭ সালে রাশিয়ার স্পুটনিক ২ তে চড়ে মহাকাশে যাত্রা করেছিল। অক্সিজেনের অভাবে মহাকাশেই এর মৃত্যু হয় ।

(২) আমাদের সূর্য ও সমস্ত সৌরজগত ২৫০ মিলিয়ন বছরে একবার আকাশঙ্গার চারদিকে প্রদক্ষিন করে । এই ২৫০ মিলিয়ন বছর কে এক গ্যালাক্টির ইয়ার বলা হয় ।

(৩) আজ পর্যন্ত একবার মাত্র গ্রহানুর আঘাতে একটি কৃত্তিম উপগ্রহ বিনষ্ট হয়েছিল । ১৯৯৩ সালে ইউরোপিয়ান স্পেশ এজেন্সির অলিম্পাস উপগ্রহ ।

(৪) ভলকান নামের একটি গ্রহের কথা হয়তো আপনি শুনে থাকবেন । অনেকদিন ধরে মহাকাশবিদরা এর অস্তিত্ত কল্পনা করতেন । মনে করা হত যে এই গ্রহটি বুধ ও সূর্যের মাঝে রয়েছে ।

(৫) BluBlocker সানগ্লাসের জন্ম নাসার আমেরিকান মহাকাশবিদদের জন্য তৈরী লেন্স থেকে ।

(৬) ওজন হিসাবে সূর্যে ৭০% হাইড্রোজেন, ২৮% হিলিয়াম ১.৫% নাইট্রোজেন, ও ০.৫% অন্যান্য গ্যাস রয়েছে ।

(৭) Carolyn Shoemaker একজন মাহাকাশবিদ যিনি প্রায় ৩০০ টি গ্রহানু আবিষ্কার করেন ।

(৮) প্রতিদিন সূর্যের তাপে পৃথিবীর ১ ট্রিলিয়ন (1000000000000 টন) টন জল বাষ্পিভুত হয় ।

(৯) প্রতি ২৩৮ বছরে নেপচুন ও প্লুটোর কক্ষের পরিবর্ত্ন হয় এর ফলে নেপচুন সুর্যের থেকে দূরতম গ্রহ হয় ।

(১০) নেপচুন গ্রহটি অঙ্ক করে আবিষ্কার করা হয় ।

(১১) যদি আপনি বুধ গ্রহে দাঁড়িয়ে সূর্যের দিকে দেখেন তাহলে সূর্যকে পৃথিবীতে দেখা সূর্যের থেকে ২.৫ গুন বড় দেখাবে ।

(১২) ১৯৫৮ সালে আমেরিকা ৩ টি ইঁদুর কে মহাকাশে পাঠায় তাদের নাম মিয়া লাস্কা ও বেনজি ।

(১৩) একটি স্পেশ শাটল কেবলমাত্র ৮ মিনিটে ২৭০০০ কিমি/ঘন্টার গতিতে পৌছায় ।

(১৪) বৃহস্পতি গ্রহটি ১২ বছরে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিন করে ।

(১৫) বৃহস্পতি গ্রহটি নিজের অক্ষের উপরে একপাক ঘুরতে ১০ ঘণ্টার কিছু কম সময় নেয় ।

(১৬) মঙ্গলের অলিম্পাস মন্স সৌরজগতের সবথেকে বৃহত্তম আগ্নেয়গিরী ।

(১৭) প্লুটোই একমাত্র গ্রহ যেখানে এখোনো পর্যন্ত কোনো মহাকাশযান পাঠানো হয়নি ।

(১৮) ১৯৩০ সালের ১০ই ফেব্রুয়ারী Clyde Tombaugh প্লুটো আবিষ্কার করেন ।

(১৯) এখোনো পর্যন্ত ইঊরেনাসের ২৭ টী উপঘহ খুজে পাওয়া গেছে ।

(২০) ইউরেনাস এমন একটি গ্রহ যা উত্তর দক্ষিনে তার আহ্নিক গতি সম্পন্ন করে ।

(২১) ইউরেনাসে গ্রীষ্ম ও শীত ঋতু ২১ বছর (পৃথিবীর) ধরে থাকে ।

(২২) কিছু কিছু গ্রহাণুর নিজসব উপ-গ্রহানু রয়েছে, যা এদের কে প্রদক্ষিন করে ।

(২৩) মহাকাশচারিরা মহাকাশে গেলে মাধ্যাকর্ষের অভাবে সামান্য লম্বা হয়ে যায় ।

(২৪) পৃথিবী থেকে আমরা চাঁদের ৫৯% দেখতে পাই । বাকি ৪১% উল্টোদিকে মুখ করে থাকে ।

(২৫) পৃথিবীতে আপনার ওজন যদি ১০০ কেজি হয় তবে মঙ্গলে আপনার ওজন হবে মাত্র ৩৮ কেজি ।

(২৬) ধূমকেতুর লেজ সর্বদা সূর্যের বিপরিত দিকে থাকে ।

(২৭) পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষনকে অতিক্রম করতে যেকোনো মহাকাশজানের গতি হতে হবে সেকেন্ডে ৭ মাইল ।

(২৮) যদি কেউ স্পেশশুট ছাড়া মহাকাশে বেরোয় তাহলে তার শরীর অক্সিজেনেও অভাবে মারা যাওয়ার পরিবর্তে বোমার মত বিষ্ফোরিত হবে! কারন মহাকাশে বায়ুর চাপ নেই ।

(২৯) Jonathan Swift এর লেখা Gulliver’s Travels এ মঙ্গলের দুটি উপগ্রহের কথা বর্ননা রয়েছে । অথচ এই বই লেখার ১০০ বছর পরে মঙ্গলের উপগ্রহ দুটির আবিষ্কার হয় ।

(৩০) মহাকাশে যাত্রা করার সময় মহাকাশবিদরা ঠিকভাবে কাঁদতে পারে না, কারন মাধ্যাকর্ষনের অভাবে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে না । শুন্যে ভেসে থাকে ।

(৩১) একটি মহাকাশ অভিযানে দেখা গেছে যে ব্যাঙ উপরের দিকে সোজা লাফায় ।

(৩২) বৃহস্পতির উপগ্রহ গ্যানিমেডের আকার বুধ গ্রহের থেকে বড় ।

(৩৩) পৃথিবীতে মিনিটে গড়ে ৬০০০ টি বজ্রপাত হয় ।

(৩৪) শনির বলয়ের পরিধী ৫০০.০০০ মাইল হলেও এর বেধ মাত্র একফুটের কাছাকাছি ।

(৩৫) মহাকাশ থেকে পতিত ধূলিকনার কারনে আমাদের পৃথিবী প্রতিদিন ১০০ টন করে ভারি হচ্ছে ।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মহাকাশ

মহাকাশ সম্পর্কে যে ১০ টি বিষয় আপনাকে অবাক করে দিবে।

Published

on

১. মহাকাশ সম্পূর্ণ নিঃশব্দ। তার কারণ মহাকাশে কোনও বায়ুমণ্ডল নেই। কাজেই শব্দ গমনের কোনও মাধ্যমও নেই।

২. মহাকাশে একটি নক্ষত্র রয়েছে যার উপরিতলের তাপমাত্রা মাত্র ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তারাটির নাম WISE 1828+2650. এটি পৃথিবী থেকে ৪৭ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সূর্যের উপরিতলের তাপমাত্রা ৫৭৭৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

৩. শনির বৃহত্তম উপগ্রহ স্যাটার্নে মানুষ তার হাতের দু’পাশে দু’টো ডানার মতো পাতলা চামড়া লাগিয়ে অনায়াসেই উড়ে বেড়াতে পারে। কারণ বায়ুমণ্ডলের ঘনত্ব সেখানে অত্যধিক আর মাধ্যাকর্ষণ অত্যন্ত কম। অবশ্য এই কাণ্ডটি কেবল তত্ত্বগতভাবেই সম্ভব।

৪. সৌরমণ্ডলের মোট ভরের ৯৯ শতাংশই দখল করে রেখেছে সূর্য।

৫. চাঁদের মাটিতে মানুষের পায়ের ছাপ আগামী ১০ কোটি বছর রয়ে যাবে সেখানে। কারণ চাঁদে বায়ুমণ্ডল বা জল নেই, ফলে সেই চিহ্ন মুছে যাওয়ারও সম্ভাবনা নেই কোনও।

৬. মহাকাশ থেকে সূর্যকে হলুদ নয়, সাদা দেখায়। আসলে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে সূর্যের ফোটন কণা বিচ্ছুরিত হয়ে যায়, ফলে সূর্যের দীর্ঘতর দৈর্ঘ্য সম্পন্ন হলুদ, কমলা আর লাল আলোকরশ্মিগুলিই কেবল আমাদের চোখে ধরা পড়ে। মহাকাশে বায়ুমণ্ডল নেই, কাজেই এই কাণ্ডটি ঘটবারও সুযোগ নেই।

৭. বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন মহাকাশে একটা বিপুল জলাধার রয়েছে। কতটা বিপুল? পৃথিবীর সমস্ত সাগরে যতটা জল রয়েছে তার ১ কোটি ৪০ লক্ষ কোটি গুণ বেশি জল রয়েছে সেখানে।

৮. একবার একদল রাশিয়ান বিজ্ঞানী মহাকাশে আরশোলার প্রজনন ঘটান। তার ফলে যে ৩৩টি আরশোলা জন্ম নেয় তারা নাকি পৃথিবীতে জন্ম নেওয়া আরশোলাদের থেকে বেশি শক্তিশালী, দ্রুত, এবং সক্ষম ছিল।

৯. প্রতি বছর চাঁদ পৃথিবী থেকে ১.৫ ইঞ্চি করে দূরে সরে যাচ্ছে।

১০. মহাকাশ সফরের পরে মহাকাশচারীদের উচ্চতা দু’ইঞ্চি করে বেড়ে যায়।

Continue Reading

সর্বশেষ পঠিত

Copyright © 2018 Amaderwap.com